সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মে, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

'কালো কুঠার- তুমি সূর্য ওঠা ভোর আমার': ভ্যাম্পায়ারিজমের উৎসের খোঁজে পুরাণের পাতায়...নতুন সূর্যের নীচে প্রাচীন, এক অন্ধকার সত্য-

Dark Truth Revealing Story [কালো কুঠার- তুমি সূর্য ওঠা ভোর আমার] by Aritra Durjoy Das | Bengali Thriller Story with Twist Ending | Bengali Scary Story | Bangla Golpo Horror 🧟‍♂️😱নতুন সূর্যের নীচে প্রাচীন, এক অন্ধকার সত্য- অরিত্র দুর্জ্জয় দাসের কলমে সম্পূর্ণ গল্পটি ' প্রতিলিপি '-তে পড়ুন বিবরণ :  ভ্যামপায়ারিজমের উৎসটা ঠিক কোথায়? দ্বাদশ বা চতুর্দশ শতকে তা হতে পারে না, কারণ ভয়ঙ্কর প্রথম ভ্যাম্পায়ার হিসেবে যে কাউন্টের নামটা উঠে আসে তিনি নিজেই অপর এক ভ্যাম্পায়ারের কামড় খেয়ে রক্তচোষায় পরিণত হন...কাজেই তিনি কোনমতেই 'প্রথম ভ্যাম্পায়ার' হতে পারেন না! তাহলে কে সেই প্রথম ভ্যাম্পায়ার? 'কালো কুঠার- তুমি সূর্য ওঠা ভোর আমার' গল্পে এই প্রশ্নটিরই উত্তর খোঁজা হয়েছে ছত্রে ছত্রে! আর ঠিক এখানেই- ইতিহাসের সাথে মেলবন্ধন ঘটেছে পুরাণের! তবে প্রশ্নটা এখানেই কতটা গভীরে এর শিকড়? কারা জড়িয়ে ভ্যাম্পায়ারিজমের সেই আদিম পর্বে? কি ঘটেছিল নেপথ্যে, যা মানুষের ওপর এরকম প্লেগ নামিয়ে আনতে চলেছে? কিভাবে জম্ম হয় সেই প্রথম ভ্যাম্পায়ারের? সর্বোপরি...গল্পের নায়ক কালো কুঠার যিনি রক্তচোষাদের ঘাতক তার সাথে...

Dahana- A Bengali science fiction, suspense thriller, action story of a little princess by Aritra Das

  Source: Pixabay দহনা -অরিত্র দাস জমাটবাঁধা অন্ধকার শীতল একটি রাত, তার সাথে অবিরাম পাল্লা দিয়ে ঝরতে থাকা সূঁচের মত ধারালো বৃষ্টির ফোঁটা। বছর দশেকের মেয়েটি অবাক চোখে তাকিয়ে ছিল সামনের দিকে। তার আশেপাশে ছড়িয়ে থাকা বাকি সকলের মত সেও যেন নির্বাক, কাঠের পুতুলের মত স্থির; যেন সেও প্রতীক্ষায় আসন্ন ও অবশ্যম্ভাবী কোন একটি ঘটনার অপেক্ষায়। কিন্তু কি হবে, ফাঁকা, রুক্ষ, জনমানবহীন এই মাঠটিতে? পাশে দাঁড়িয়ে তার দাদা; বয়সে সামান্যই ফারাক দুই ভাই-বোনের। চুপ করে সেও তাকিয়ে ছিল সামনে। বেশ খানিকক্ষণ এইভাবে চুপ করে দাঁড়িয়ে থেকে অবশেষে বিরক্তি ধরে গেল বাচ্চা মেয়েটির; এত দীর্ঘক্ষণ চুপ করে থাকতে সে অভ্যস্ত নয়। কিন্তু কথা বলতে গেলেই সবাই তাকে এরকমভাবে বকে থামিয়ে দিচ্ছে কেন? বাধ্য হয়ে শেষে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দাদাকে ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করে উঠল সে- -“দাদা, আমরা এখানে দাঁড়িয়ে কেন রে? চল না ঘরে ফিরে যাই!” বয়সে বড় দাদা গম্ভীরভাবে একবার ফিরে তাকাল নিজের বোনের দিকে; অন্ধকারের মধ্যে ঠিক বোঝা গেল না তার মুখের অভিব্যক্তি। তারপর সে বললে- -“ঘরে আর ফেরা হবে না রে দহি! আমাদের এখন সামনেই এগোতে হবে-” -“কোথায়?” -“ঐ দূরে পরপ...