Dark Truth Revealing Story [কালো কুঠার- তুমি সূর্য ওঠা ভোর আমার] by Aritra Durjoy Das | Bengali Thriller Story with Twist Ending | Bengali Scary Story | Bangla Golpo Horror 🧟♂️😱নতুন সূর্যের নীচে প্রাচীন, এক অন্ধকার সত্য- অরিত্র দুর্জ্জয় দাসের কলমে সম্পূর্ণ গল্পটি ' প্রতিলিপি '-তে পড়ুন বিবরণ : ভ্যামপায়ারিজমের উৎসটা ঠিক কোথায়? দ্বাদশ বা চতুর্দশ শতকে তা হতে পারে না, কারণ ভয়ঙ্কর প্রথম ভ্যাম্পায়ার হিসেবে যে কাউন্টের নামটা উঠে আসে তিনি নিজেই অপর এক ভ্যাম্পায়ারের কামড় খেয়ে রক্তচোষায় পরিণত হন...কাজেই তিনি কোনমতেই 'প্রথম ভ্যাম্পায়ার' হতে পারেন না! তাহলে কে সেই প্রথম ভ্যাম্পায়ার? 'কালো কুঠার- তুমি সূর্য ওঠা ভোর আমার' গল্পে এই প্রশ্নটিরই উত্তর খোঁজা হয়েছে ছত্রে ছত্রে! আর ঠিক এখানেই- ইতিহাসের সাথে মেলবন্ধন ঘটেছে পুরাণের! তবে প্রশ্নটা এখানেই কতটা গভীরে এর শিকড়? কারা জড়িয়ে ভ্যাম্পায়ারিজমের সেই আদিম পর্বে? কি ঘটেছিল নেপথ্যে, যা মানুষের ওপর এরকম প্লেগ নামিয়ে আনতে চলেছে? কিভাবে জম্ম হয় সেই প্রথম ভ্যাম্পায়ারের? সর্বোপরি...গল্পের নায়ক কালো কুঠার যিনি রক্তচোষাদের ঘাতক তার সাথে...
এই পর্বের সূত্রপাত মূলতঃ রাবণের স্মৃতিচারণা দিয়ে; তাঁর পূর্বপুরুষদের সময় থেকে তাঁর সিংহাসনলাভের সময়কাল পর্যন্ত রাক্ষসদের প্রযুক্তিগত উথ্থান, রাজধানীর স্থান নির্বাচন ও স্থাপনা, রাজধানী অন্যত্র সরানোর পিছনে কারণ- স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে জানা যাবে রাক্ষসদের কিছু ইতিহাস যা পরবর্ত্তী ক্ষেত্রে গল্পটি বুঝতে আমাদের সহায়তা করবে। দেখতে থাকুন নতুন এই পর্বটি, এবং অবশ্যই মতামতের মাধ্যমে জানান আপনাদের কেমন লাগছে। ধন্যবাদ।
কাহিনি সূত্র:
দক্ষিণ, পশ্চিম ও পূর্ব- তিনদিকে সমুদ্রের বেষ্টন ও উত্তরদিকে অতন্দ্র প্রহরায় থাকা হিমালয় পর্বতমালার মাঝামাঝি বিস্তৃত এই ভূভাগ; হিমালয় পর্বতমালা অতিক্রম করে অপরদিকে শুরু হয়েছে প্রায় অখণ্ড এক মহাদেশ যার শেষ হয়েছে উত্তরে, আরও উত্তরে, যেখানে এসে শেষ হচ্ছে পৃথিবীর সীমানা। অনেক দিন আগের কথা, বিশ্ব চরাচরে যখন কেউ ছিল না তখন এই প্রত্যেকটি মহাদেশ সংযুক্ত ছিল স্থলপথেই; কিন্তু সময়ের সাথে সাথে মহাদেশগুলি বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করে এবং আস্তে আস্তে তারা পরষ্পরের থেকে দূরে সরে যায়। বর্তমানে মহাদেশগুলি উত্তর গোলার্ধের কাছে এবং ভূমধ্যরেখা সংলগ্ন অঞ্চলগুলিতে মোটামুটি সংযুক্ত থাকলেও দক্ষিণ গোলার্ধে এসে ইতস্তত বিক্ষিপ্ত হয়ে গিয়েছে; বিচ্ছিন্নকরণের প্রভাব দক্ষিণ গোলার্ধে মাত্রাতিরিক্ত বেশি। এর একটা বড় কারণ, সমুদ্রের বহুদূরব্যাপী বিস্তার। তবে মোটের ওপর তর্কের খাতিরে এখনও বলা যেতেই পারে, গোটা পৃথিবীর জমি একটা কেন্দ্রীয় জায়গায় অবস্থিত সমষ্টিগতভাবে।
স্পষ্টঃতই এই বিরাট ভূমিকে প্রতিরক্ষা দানের উদ্দেশ্যে নজরদারি কেন্দ্র স্থাপনা করা হয়েছে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে, কিন্তু মূল রাজধানী স্থাপন করা হয়েছে পৃথিবীর সমগ্র ভূমিপূঞ্জের একেবারে শেষপ্রান্তে; ঠিক যেখান থেকে শুরু হচ্ছে অতল বারিধির আধিপত্য। মূল ভূমিপুঞ্জের যৎসামান্য দূরে ‘রৌরব’রাজ্যে স্থাপনা করা হয়েছে রাক্ষসদের রাজধানী।
প্রতিরক্ষার দৃষ্টিকোণ থেকে রাজা রাবণের রাজধানীর এ হেন স্থান নির্বাচন এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। পূর্বতন রাজাদের রাজধানী ছিল ভূমিপুঞ্জের একেবারে মধ্যভাগে, ‘মহেন্দ্র’ পর্বতের নীচে। পর্বতের সুরক্ষার মধ্যে থেকে তারা দেশ শাসন করতেন। পৃথিবী বিজয় তাঁদের কৃতিত্ব নয় বটে, কিন্তু এই জয়ের পিছনে তাঁদের অবদান অনস্বীকার্য। প্রযুক্তি ধীরে ধীরে আয়ত্ব করবার পিছনে তাঁদের অনলস পরিশ্রম পরিকল্পনা আজকের উন্নতির পিছনে বড় কারণ। কিন্তু তাও, রাজধানী ভূমিপুঞ্জের একেবারে মধ্যভাগে থাকায় অনেকগুলি সমস্যা তৈরি হয়েছিল।
Follow us on: https://www.facebook.com/mystictuneoftales
Background music source: YOUTUBE AUDIO LIBRARY.
Story, voice-over, Concept and Editing: ARITRA DAS
Graphics: BISWANATH DEY
Our books: https://play.google.com/store/books/author?id=Aritra+Das
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আমাদের ব্লগগুলি আপনাদের কেমন লাগছে? অবশ্যই জানান আমাদের-