সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Bengali Science fiction and Suspense | বাংলা কল্পবিজ্ঞান | Bangla Horror Story| আবার নরখাদকের দ্বীপে | Return to Island X by Aritra Durjoy Das | Suspense Thriller Story

Bangla Horror Story and science fiction কল্পবিজ্ঞানের গল্প Return to Island X যুগসন্ধির সন্ধিক্ষণে by Aritra Durjoy Das Bengali Suspense Thriller Paranormal Kahini একটি কাঁচের দেওয়াল...যার অপরপ্রান্তে লুকিয়ে রহস্য...অবসান আর...একটি মহাজাগতিক সত্য! এমন একটি গ্রন্থ যা তছনছ করে দিতে পারে আমাদের চোখে দেখা বিশ্বের অস্তিত্ব? কি আছে এই গ্রন্থে? পড়ুন অরিত্র দুর্জ্জয় দাসের লেখা ' শয়তানের ধর্মগ্রন্থ ', প্রতিলিপি -তে আমার প্রোফাইলে- রিটার্ন টু আইল্যাণ্ড এক্স- ভয়ঙ্কর এই দ্বীপে বেঁচে থাকবার লড়াই পশ্চিমবঙ্গের পায়ের কাছে বকখালী-ফ্রেজারগঞ্জ অঞ্চলে সৃষ্টি হয়েছে কাঁচের একটি অদ্ভুত দেওয়াল যার অপর প্রান্তের জগৎ সম্ভবত মৃত! আরও ভয়ের বিষয়- ঐ দেওয়াল ক্রমশঃ সম্প্রসারিত হচ্ছে সামনের দিকে, যার অর্থ আরও নতুন অঞ্চল ও তাতে বিচরণকারী বাস্তুতন্ত্র চলে আসছে সর্বনাশী ঐ কাঁচের দেওয়ালের ঘেরাটোপে! কি হতে চলেছে এবারে? তাদের গল্প যারা আমাদের আগে পৃথিবীতে এসেছিলেন ... ' দ্যা লেগ্যাসি অফ্ রাম দ্বিতীয় পর্ব: সৌভ্রাতৃত্বের সূচনা ' ক্যাপ্টেন অখণ্ডপ্রতাপের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় আর্মির কিছু সেনাকে ঐ অঞ্চলে পাঠানো হয় প...

Bengali Science fiction Story| The Legend of Ram-Rise of a Species- Episode2 Part4

The Legend of Ram-Rise of a Species- Episode2 Part4


Watch out the Previous Part3 Here. If you are looking for a Bengali audio story channel with fresh, new, original stories, You might find us here.

The video narration of Part3 is down below this article. Feel free to visit our channel.

Bengali science fiction story the legend of ram rise of a species on Mystic Tune of Tales


The story line of this whole series is developed by me after many years of struggle, finally which came under daylight. This is based on an ancient Indian tale, but definitely, the story line is something else. Keep watching our channel for more videos and updates. Your comment, likes and shares would boost up our motivation, so, please do them, and, Subscribe. Thanks!!

কেমন দেখতে ছিল ইক্ষকু নগরী? এই পর্বে আমরা এই নগরীর রূপ দেখতে পাব; তার সাথে সাড়ম্বড়ে বরণ করে নেব আমাদের উপন্যাসের দুই কেন্দ্রীয় চরিত্রকে; বোঝবার চেষ্টা করব কেমন ছিল তাঁদের জীবন, তাঁদের দর্শন, কেমন ছিল তাঁদের নিবিড় আত্মীয়তা। জানতে হলে অবশ্যই চোখ রাখুন এই পর্বে।


  • Story, voice-over, Concept and Editing: Aritra Das
  • Graphics: Shri Biswanath Dey
  • Background music source: YouTube Audio Library

এই পর্বে পঠিত অংশটি দেওয়া হল নীচে। কেমন লাগল তা অবশ্যই জানাবেন:-


...নাতিউচ্চ টিলাটির ওপর থেকে ইক্ষকু নগরীর অংশবিশেষ চোখে পড়ে। অগুন্তি ছোট ছোট বাড়ি-ঘর-দোর, তারপর ছোট সড়ক যা গিয়ে মিশেছে বিশাল সড়কে, তারপর রাজপথে। এরপর একটা খোলা প্রাঙ্গণ। চারিদিক থেকে চারটি রাজপথ এসে মিশেছে ঐ খোলা প্রাঙ্গণে। উন্মুক্ত প্রাঙ্গনের একদিকে বিরাট উঁচু রাজপ্রাসাদ, আরেকদিকে রয়েছে সারিবদ্ধ প্রশাসনিক অতিথি-নিবাস। আর সবার ওপরে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে প্রসিদ্ধ ‘হাওয়া-মহল’। ঐখানেই সঞ্চিত থাকে সম্বৎসরের খাদ্য। নাগরিকদের জন্য মজুত করা থাকে এই খাদ্যশষ্য। উঁচু এই মহলটির গঠন অনেকটা দণ্ডের মতন। কেউ যেন একটা লাঠি বসিয়ে দিয়ে গেছে যার ওপরের দিকটি সূঁচালো। শীর্ষবিন্দুর থেকে একটু নীচের অংশটি কিছুটা স্থূল; এখানে সর্বক্ষণ ‘উগ্র’অবস্থান করে প্রতিরক্ষা ও নজরদারির কারণে। বহু দূর থেকে অগ্রসরমান শত্রুসৈন্য দৃষ্টিগোচর হয় এই অংশের মধ্য দিয়ে। খাদ্য সঞ্চয় ও নজরদারি – দুইই করা সম্ভব এই ব্যবস্থায়। এছাড়া রাজপথের দুধারে সুরম্য অট্টালিকাগুলি যথেষ্ট নয়নাভিরাম। নগরের যে অংশটুকু এতে প্রতীয়মান তা সত্যিই চোখ জুড়িয়ে দেয়।

 

টিলার মাথায় বসে এক তরুণ নিবিষ্ট মনে একটা কচি ঘাসের ডগা হাতে নিয়ে দাঁতে খুঁটছিল। উজ্জ্বল শ্যামবর্ণ এই তরুণ। ১৮-২০ বছর বয়স, কিন্তু বিরাট চেহারা! বিরাট, কিন্তু সুন্দর। বালকটির মুখের মতন। শক্তপোক্ত শরীরের গঠন, তীক্ষ্ণ অন্তর্ভেদী দৃষ্টি। বোঝাই যাচ্ছে যে সামনের দৃশ্যপটের সঙ্গে সে পূর্বপরিচিত, কারণ সেদিকে তাঁর কোন নজরই ছিল না। পাশে বসা তাঁর অনুজ ভাই। তাঁর শরীরের শক্ত গঠন, বাহুর আকৃতি ও গড়ণ আর চিতাবাঘের মত নির্মেদ শরীর বলে দিচ্ছে যে সে ক্ষিপ্র অনেক বেশি। প্রথম তরুণটি হলেন বীরভদ্র; মহাসেনের অগ্রজ সন্তান। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন তাঁর অনুজ শ্রীমান সুমিত্রসেন। বীরভদ্র আদর করে ভাইকে ডাকেন ‘মিতে’ বলে।

 

-“কি ব্যাপার বল তো দাদা –” জিজ্ঞাসা করে ওঠেন সুমিত্রসেন – “কদিন ধরে তোকে খুব চুপচাপ দেখছি, কিছু হয়েছে নাকি?”

 

-“নাঃ” অন্যমনষ্কের মত উত্তর দিলেন বীরভদ্র।

 

-“কিছু একটা তো হয়েছেই, সেটায় আমি নিশ্চিত। তুই এত চুপচাপ থাকিস না। কি হয়েছে বলবি না?”

 

খানিক নিস্তব্ধতার পর ভাইয়ের মুখের দিকে তাকালেন বীরভদ্র। তাঁদের মধ্যে বয়সের তফাৎ খুব সামান্যই, কয়েক পলের এদিক-ওদিক। দুজনের মধ্যে বোঝাপড়াও প্রবল, একে অপরের সঙ্গে পিঠোপিঠি সম্পর্ক। একে সাহস করে কিছু বলা যায়।

 

-“বাবার মধ্যে কয়েকদিন ধরে আচরণগত কোন প্রভেদ দেখতে পারছিস মিতে?”

 

-“বাবার? হু, তা একটু পাচ্ছি বটে। উনিও চুপচাপ হয়ে গেছেন। গতকাল তো মেজদা আর সেজদাকে পাঠিয়ে দিলেন অন্য কোন রাজ্যে। কেন বল তো?”

 

-“এবারে বোধ হয় আমাদের পালা। কে একজন সন্ন্যাসী এসে উঠেছেন বাবার আতিথ্যে। শুনছি তিনি নাকি যাওয়ার সময় আমাদের নিয়ে যাবেন।”

 

-“নিয়ে যাবেন! কোথায়?”

 

-“জানি না! মা বলছিলেন আগেরদিন।”

 

এরপর দুজনেই একটু চুপচাপ হয়ে গেলেন আশু ভবিষ্যৎের কথা ভেবে। অদূরে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে সুউচ্চ ‘হাওয়া-মহল’। দুজনেই তাকিয়ে রইলেন সেইদিকে। অবশেষে মুখ খুললেন সুমিত্রসেন।

 

-“চল দাদা, চলে যখন যেতেই হবে তখন একটা শেষ প্রতিদ্বন্ধিতা হয়ে যাক। আয় একটা দৌড় লাগাই! দৌড় শেষ হবে ঐ হাওয়া-মহলের শীর্ষে!!”

 

-“এই টিলার ওপর থেকে? খেপেছিস না পেট গরম হয়েছে?”

 

-“টিলার ওপর থেকে নয়; ঐ যে গোপাল মুদির দোকান দেখা যাচ্ছে, ওখান থেকে।”

 

-“ধ্যুস!ভালো লাগছে না–”

 

-“আরে চল না! কিছুটা তো সময় কাটবে!!”

 

ইক্ষকু নগরীর সড়কপথে একটু পরেই সৃষ্টি হল এক বিচিত্র দৃশ্যের! দুই রাজকুমার বীরভদ্র ও সুমিত্রসেন দৌড়-প্রতিযোগিতা করছেন; দুইধারে দাঁড়িয়ে পড়ে তাই দেখছে লোকে। বড়ভাই বীরভদ্র বলশালী, সামান্য শ্লথ; কিন্তু দেওয়াল বেয়ে দৌড়নোর ব্যাপারে তিনি এগিয়ে। অপর দিকে অনুজ সুমিত্রসেন চিতাবাঘের মত ক্ষিপ্র, গতির দৌড়ে তিনি এগিয়ে কিন্তু সামনের বাধা অতিক্রমের ক্ষেত্রে তিনি সামান্য মন্থর। দুজনেই কপিথ্থপ্রবরের মত এই বাড়ির দেওয়াল টপকে, ঐ বাড়ির ছাদ ডিঙিয়ে, একচালা দোকানঘরগুলির চালা লাফিয়ে অতিক্রম করতে করতে এগিয়ে যেতে লাগলেন সামনের দিকে। শারীরিক কসরৎের দিক থেকে দুই ভাইই সমান নিপুণ। প্রত্যক্ষদর্শীরা সমস্বরে বাহবা দিতে লাগলেন দুই ভাইকেই।

 

অতঃপর এসে গেল ‘হাওয়া-মহল‘। দুইভাইই এসে দাঁড়ালেন তার নীচে। এই হাওয়া-মহলেরই নীচের দিকের অংশে মজুত থাকে খাদ্যশষ্য। মাটির অনেকটা নীচে থাকে সেই ঘর। তাঁদের উঠতে হবে ওপরতলায়, শীর্ষস্থানে। এখানে নজরদারি ঘরের ওপরে যে খোলা বৃত্তাকার উন্মুক্ত প্রাঙ্গনটি আছে সেখানেই শেষ হবে প্রতিযোগিতা। দুজনেই চড়তে শুরু করে দিলেন ওপরে।

 

গোলমাল পাকল মাঝামাঝি অংশে এসে। দুইভাইই বাইরের দেওয়াল ধরে উপরে উঠছিলেন। কোথাও বেড়িয়ে আসা পাথরের টুকরো, বা সংযোগকারী কীলক, এগুলিকেই ব্যবহার করছিলেন তাঁরা এর জন্য। এরকমই একটা আলগা পাথরের টুকরো বেড়িয়ে ছিল; উত্তেজনায় বুঝতে পারেননি সুমিত্রসেন, পাথরের টুকরোটাকে ধরতে গিয়ে হাত পিছলে গেল। পড়েই যেতেন, কিন্তু নীচে ছিলেন বীরভদ্র। ডানহাত বাড়িয়ে ধরে ফেললেন আদরের ‘মিতে’কে, তারপর তাকে ঝুলিয়ে দিলেন নীচের দিকে একটা পাথরের অবলম্বনে। পাথরটিকে অবলম্বন হিসেবে পেয়ে ধরে ফেললেন সুমিত্রসেন।শ্বাস টেনে কৃতজ্ঞতা জানাবার জন্য মুখ ওপরে তুলে দেখতে পেলেন অনেকটা উঠে গিয়েছেন বীরভদ্র। ব্যাস! আবার শুরু হল পথ বেয়ে ওপরে ওঠা!!

 

অবশেষে, বীরভদ্রই জিতলেন প্রতিযোগিতায়। দুই ভাই নির্বিঘ্নে ওপরে উঠে এলেন বাকি পথ বেয়ে। ধপাস্ করে সমতল মেঝের ওপর শুয়ে খানিক্ষণ শ্বাস নিলেন তাঁরা; দম ফেরৎ পেতে কিছুটা দেরি হল। অবশেষে প্রথম কথা বললেন বীরভদ্র –

 

-“বাবা একটা কথা প্রায়ই বলেন, যারা চোখ খুলে চলে তারাই প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়। ওপরের আলগা পাথরটি দেখতে পেলে তুইই কিন্তু জিতে যেতিস মিতে।”

 

হাঁপাতে হাঁপাতে কাঁধ ঝাঁকালেন সুমিত্রসেন। এরপর আস্তে আস্তে উঠে দাঁড়ালেন দুজনেই। তাকালেন সামনের দিকে।

 

সামনে, পিছনে, চারিদিকে তখন উন্মুক্ত বিশাল ইক্ষকু নগরী; আপন সৌন্দর্যের ডালি নিয়ে সে এখন চোখের সামনে বিদ্যমান। অপরূপ সে সৌন্দর্যের প্রতিটি পরত যেন ধীরে ধীরে উন্মোচিত হচ্ছে তাঁদের চোখের সামনে! নগরীর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এই উচ্চতম স্থানটি থেকে পাখীর দৃষ্টিতে গোটা নগরীই এখন তাঁদের চোখের সামনে। এ দৃশ্য সত্যিই অতুলনীয়! কিছুক্ষণ কোন কথা বলতে পারলেন না কেউই!

 

-“জীবনটাও যেন এমনি সুন্দরই থাকে রে দাদা!”– অবশেষে বললেন সুমিত্রসেন।

 

-“ঠিক। তার সঙ্গে এটাও যোগ কর, কোন অবস্থাতেই আমরা যেন পরষ্পরের থেকে বিচ্ছিন্ন না হই।”

 

নীচে তখন গোধূলির আলোয় অপরূপ সাজে সজ্জিতা ইক্ষকু নগরী প্রস্তুত আসন্ন রাত্রিকে স্বাগত জানাবার জন্য।

===============================================================




Our books
Stay updated Here.
Our Twitter Account
Pratilipi Profile



মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Bengali Horror Story Tantrik er Golpo Maran Dahukar Dak by Aritra Durjoy Das

'চওকা' গ্রামের দুঃস্বপ্নের সুর মারণ ডাহুকার ডাক, যার মূর্ছণায় গ্রামবাসীদের ওপর নেমে আসে ঘন কালো অন্ধকার | Bangla Golpo Horror | Scary Horror Story in Bengali | Bangla Horror Story কোন অভিশাপ নেমে আসে 'চওকা' গ্রাম-এর ওপর, যা তাদের ঠেলে দেয় অন্তের অতলে? একসময়কার অধিক জনবহুল এই গ্রামে কেন বর্তমানে জনসংখ্যা মাত্র চার? ডাহুকা কে? কিসের রাগ তার গ্রামবাসীদের ওপর? কেনকোন বহিরাগত গ্রামে চলে এলে রাতের অন্ধকারে জেগে ওঠে নরপিশাচের দল, শুরু হয় নিরবিচ্ছিন্ন ধ্বংস? আজই পড়ে ফেলুন অরিত্র দুর্জ্জয় দাসের লেখা এই ডার্ক ফ্যান্টাসি হরর- মারণ ডাহুকার ডাক পড়ুন অরিত্র দুর্জ্জয় দাসের একটি বাংলা ঐতিহাসিক অ্যাডভেঞ্চার গল্প ' রুদ্রভৈরবের পদধ্বণি '- মধ্যপ্রদেশের ছাতারপুর সদর-শহর থেকে মাত্র চল্লিশ কিলোমিটার দূরে 'চওকা' গ্রাম, অথচ এখানকার জনসংখ্যা মাত্র চার! চারজন প্রবীণ মানুষ বসবাস করে এই গ্রামে, যেখানের নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকও এখানে বসবাস করতেন আড়াই হাজারের বেশি মানুষ! কি ঘটল এখান, যার জন্য গোটা গ্রাম এভাবে ফাঁকা হয়ে গেল? এর পিছনে অন্যতম একটি কারণ প্রাচীনতম একটি অভিশাপ! হরধণু ভাঙবা...

Bengali Science fiction and Suspense | বাংলা কল্পবিজ্ঞান | Bangla Horror Story| আবার নরখাদকের দ্বীপে | Return to Island X by Aritra Durjoy Das | Suspense Thriller Story

Bangla Horror Story and science fiction কল্পবিজ্ঞানের গল্প Return to Island X যুগসন্ধির সন্ধিক্ষণে by Aritra Durjoy Das Bengali Suspense Thriller Paranormal Kahini একটি কাঁচের দেওয়াল...যার অপরপ্রান্তে লুকিয়ে রহস্য...অবসান আর...একটি মহাজাগতিক সত্য! এমন একটি গ্রন্থ যা তছনছ করে দিতে পারে আমাদের চোখে দেখা বিশ্বের অস্তিত্ব? কি আছে এই গ্রন্থে? পড়ুন অরিত্র দুর্জ্জয় দাসের লেখা ' শয়তানের ধর্মগ্রন্থ ', প্রতিলিপি -তে আমার প্রোফাইলে- রিটার্ন টু আইল্যাণ্ড এক্স- ভয়ঙ্কর এই দ্বীপে বেঁচে থাকবার লড়াই পশ্চিমবঙ্গের পায়ের কাছে বকখালী-ফ্রেজারগঞ্জ অঞ্চলে সৃষ্টি হয়েছে কাঁচের একটি অদ্ভুত দেওয়াল যার অপর প্রান্তের জগৎ সম্ভবত মৃত! আরও ভয়ের বিষয়- ঐ দেওয়াল ক্রমশঃ সম্প্রসারিত হচ্ছে সামনের দিকে, যার অর্থ আরও নতুন অঞ্চল ও তাতে বিচরণকারী বাস্তুতন্ত্র চলে আসছে সর্বনাশী ঐ কাঁচের দেওয়ালের ঘেরাটোপে! কি হতে চলেছে এবারে? তাদের গল্প যারা আমাদের আগে পৃথিবীতে এসেছিলেন ... ' দ্যা লেগ্যাসি অফ্ রাম দ্বিতীয় পর্ব: সৌভ্রাতৃত্বের সূচনা ' ক্যাপ্টেন অখণ্ডপ্রতাপের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় আর্মির কিছু সেনাকে ঐ অঞ্চলে পাঠানো হয় প...

সত্য ঘটনা অবলম্বনে অরিত্র দুর্জ্জয় দাসের কলমে রক্তজলকরা ভয়ঙ্কর একটি ডার্ক ফ্যান্টাসি-হররনির্ভর তান্ত্রিক গল্প শয়তানের ধর্মগ্রন্থ

Bengali Horror Story | Dark Horror and Tantriker Golpo by Aritra Durjoy Das আপনি কি রোমাঞ্চকর বাংলা গোয়েন্দা গল্প খুঁজছেন? এখানে পাবেন সেরা Bengali Horror Story, রহস্য, থ্রিলার এবং ট্যুইস্টে ভরা গল্প। দমবন্ধকরা ভয়ের গল্প 🔥 [শয়তানের ধর্মগ্রন্থ]   যখন ইতিহাসের পাতা থেকে উঁকি মারে উচ্চারণ না করা পুরাণ, তখন ভয় পাওয়াটাই একমাত্র বিকল্প! 👉  পুরো গল্প পড়ুন বিবরণ: হার্মান দ্যা রেক্লিউস, যার বাংলা অর্থ 'নিঃসঙ্গ হার্মান', তিনি কোন একটি গর্হিত অপরাধের জন্য ভয়ঙ্কর সাজা পান...দেওয়ালে নিজেকে জীবন্ত অবস্থায় গেঁথে ফেলবার সাজা শোনানো হয় তাকে! এই অবস্থায় নিজেকে বাঁচানোর তাগিদে আরও বড় অপরাধ করে বসেন তিনি- শয়তানের সাথে একটি চুক্তি করে বসেন নিজের আত্মার বিনিময়ে! পরিণাম- একটি বই যা এরপরে পরিচিতি পাবে 'কোডেক্স জিগাস' বা 'শয়তানের বাইবেল' নামে। এটুকুই প্রামাণ্য ইতিহাস, কিন্তু কি হতে পারে এর নেপথ্য ঘটনা? কেন, কিসের ভিত্তিতে সাজা পান হার্মান দ্যা রেক্লিউস? ঐ বইটি জম্মলগ্ন থেকেই যেখানে ছিল সেই জায়গার ওপরে নেমে এসেছে অভিশাপ, ধ্বংস হয়েছে অঞ্চলটি! কেন? কিভাবে এই গ্রন্থটিকে লুকিয়ে ফেলা হয়েছিল...